• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

রানা হত্যার নেপথ্যে ডিস ব্যবসা

Ranaঢাকা: রাজধানীর মগবাজারে রমনা থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মাহবুবুর রহমান রানাকে ব্যবসায়িক দ্বন্ধে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর এ হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা হচ্ছেন পলাতক মগবাজারের শীর্ষ সন্ত্রাসী রনি। রানা হত্যাকাণ্ডে জড়িত দু’জনকে গ্রেপ্তারের পর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ এসব তথ্য জানতে পেরেছে।

সোমবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার (ডিবি) মো. মনিরুল ইসলাম। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি, দক্ষিণ) কৃষ্ণপদ রায় ও সহকারী পুলিশ কমিশনার সত্যকি কবিরাজ ঝুলন।

মনিরুল ইসলাম জানান, রানা হত্যাকাণ্ডের পর থানা পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশ ঘটনার তদন্ত ও আসামিদের গ্রেপ্তারে কাজ শুরু করে। এ কারণে রোববার মাদারীপপুরের শিবচরে অভিযান চালিয়ে কামরান ও সাদ্দাম নামের দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেয়া তথ্যমতে, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ৭ রাউণ্ড গুলিসহ পিস্তলটি উদ্ধার করা হয়েছে। তারা হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।

জিজ্ঞাসাবাদে তারা পুলিশকে জাননিয়েছে, ডিস ব্যবসাকে নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করেন নিহত নেতা রানা। এ কারণে সন্ত্রাসী রনি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রানার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। রানাকে হত্যার জন্য রনি পরিকল্পনা করে। সেই পরিকল্পনা মতে সন্ত্রাসী রনির নির্দেশে অন্য সহযোগীদের নিয়ে তারা রানাকে কুপিয়ে হত্যা করে।

যুগ্ম কমিশনার জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা ঘটনার সময় আগ্নেয়াস্ত্রের পরিবর্তে ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করেছে। হত্যাকারীর পালিয়ে যওয়ার সময় ফাঁকা গুলি ও ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। তবে ঘটনার সময় সন্ত্রাসীরা চাদর ও মাফলার দিয়ে মুখ ঢেকে রাখায় প্রাথমিকভাবে তাদের সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরো জানান, ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্য হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া ঘটনার বিস্তারিত জানতে গ্রেপ্তারকৃতদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন জানিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় মগবাজারের মসজিদ গলিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মাহাবুবুর রহমান রানাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। সন্ত্রাসীরা চলে যাওয়ার সময় গুলি ছুঁড়ে ও ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এ ঘটনায় পরে রমনা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় রানার বন্ধু রিপন ও বাহারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের রিমাণ্ডে  আনে পুলিশ। কিন্তু ঘটনার রহস্য উন্মোচন করতে পারেনি পুলিশ। এদিকে রিমাণ্ডে থাকা অবস্থায় রিপন ব্লেড দিয়ে নিজের গলা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টাও করে। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা দেয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ